উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
কাগজে-কলমে ১৪০ কিলোমিটার গতির উচ্চাশা নিয়ে হাজার হাজার কোটি টাকায় কেনা রেলের আধুনিক ইঞ্জিন ও যাত্রীবাহী কোচ এখন ৫০ থেকে ৬৭ কিলোমিটারের বেশি গতিতে চলতে পারছে না। ঝুঁকিপূর্ণ সেকশনগুলোতে এই গতি অনেক ক্ষেত্রে ৫ থেকে ১০ কিলোমিটারে নেমে আসায় চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ যাত্রীরা।
বিগত আমলে রোলিংস্টক কেনাকাটায় ব্যাপক দুর্নীতি এবং সড়ক পরিবহণ খাতের প্রভাবশালী লবির চক্রান্তের কারণে রেল খাত আজ মারাত্মক সংকটে পড়েছে। সচল ইঞ্জিন ও কোচের তীব্র অভাবে বর্তমানে অন্তত ৭৭টি ট্রেন বন্ধ রয়েছে এবং ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে কেনা ৭০টি ইঞ্জিনের মধ্যে ৩২টিই অকেজো হয়ে পড়ে আছে।
দুদকের তদন্তে উঠে এসেছে যে, চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন এবং নিম্নমানের যন্ত্রাংশ গ্রহণের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার ঘুস লেনদেন করা হয়েছে। কমলাপুর স্টেশনের সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও ইঞ্জিনের অভাবে ৩০০ ট্রেন পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না, যা রাষ্ট্রের শত শত কোটি টাকার অপচয়কে স্পষ্ট করে তুলেছে।
বর্তমান সরকারের নতুন ইঞ্জিন কেনার উদ্যোগ আশাব্যঞ্জক হলেও রেলের প্রশাসনিক কাঠামোর আমূল সংস্কার এখন সময়ের দাবি। অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনা এবং সড়ক পরিবহণ লবির প্রভাবমুক্ত করে রেলকে একটি লাভজনক গণপরিবহণ হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়েছে।